মুজিব বর্ষে ​​​​​​ ২০০ টাকার নোট ও স্বর্ণ মুদ্রা প্রচলন শুরু।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ২০২০-২০২১ সালকে ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করেছে সরকার।

শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাজারে প্রচলিত ২,৫,১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার মতই ২শ’ টাকার নোট ছাড়া হবে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ১০০ টাকা মূল্যমানের সোনা ও রূপার স্মারক মুদ্রা ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক। মার্চ মাসে স্মারক ও প্রচলিত-দুই ধরনের ২শ’ টাকার নোট ছাড়া হবে। তবে ২০২১ সাল থেকে কেবলমাত্র নিয়মিত নোট থাকবে।

সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০০ টাকার নোটের উপর ‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ নোট’ কথাটি লেখা থাকবে। তবে ২০২১ সাল থেকে যে নোটগুলো ছাড়া হবে তাতে আর তা লেখা থাকবে না।

বিশেষ ঘটনাকে স্মরণীয় রাখতে এর আগে ছয় ধরনের স্মারক নোট তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই বছরে যুক্ত হচ্ছে ২০০ টাকার নোট। এছাড়া এই পর্যন্ত ১২ ধরনের স্মারক মুদ্রা ছাড়া হয়েছে।

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিববর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রথম নোট ছাপা হয়। ১৯৭২ সালের ২ জুন প্রথম বাজারে ছাড়া হয় ১০ টাকার নোট। এরপর ধীরে ধীরে বাজারে আসে ১, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকার নোট। এছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে ধীরে ধীরে বাজারে ছাড়া হয় ১, ৫, ১০, ২৫, ৫০ পয়সা ও ১, ২, ৫ টাকার কয়েন।

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথমে ২০০ টাকার নোট এবং বঙ্গবন্ধুর চিত্র সজ্জিত করার জন্য স্মরণীয় নোট উভয়ই প্রচার করবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বঙ্গবন্ধুর ছবি সহ নোটের রঙ এবং আকার পরিবর্তন করে বাজারে ৫০ টাকা এর একটি নতুন নোট প্রকাশ করেছে। রবিবার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে নিয়মিত লেনদেনের মাধ্যমে নতুন নোট বাজারে প্রকাশ করা হয়েছে।

One thought on “মুজিব বর্ষে ​​​​​​ ২০০ টাকার নোট ও স্বর্ণ মুদ্রা প্রচলন শুরু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *